পলাশ বিন আমির হোসেন ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

617
পলাশ বিন আমির হোসেন ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ১নং বুধন্তি ইউনিয়নের সাতবর্গ পলাশ বিন আমির হোসেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ-উল-ফিতরকে উপলক্ষ্য করে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয় প্রায় ১২০টি থেকে ১৫০টি পরিবারে।

করোনা ভাইরাসের দানবীয় প্রাদুর্ভাবের ফলে সারা বাংলাদেশে এক স্থবির অবস্থা বিরাজ করছে, এমতাবস্থায় দেশে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলাবাহিনীসহ সমস্থ ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান তাদের সাধ্যমত চেষ্টা করছে সাধারন মানুষকে খাদ্য সহযোগীতা দিয়ে বিভিন্নভাবে সহায়তা করতে।

এছাড়াও অনেক সামাজিক সংগঠন, এনজিও ও অনেক অলাভজনক সংস্থার সবাই মিলে একসাথে কাজ করছে, এই করোনা পরিস্থিতিতে সাধারন মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করতে। তারই ধারাবাহিকতায়, আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাতেও অসংখ্য সামাজিক সংগঠন কাজ করছে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান থেকে। এমনই এক ফাউন্ডেশন হচ্ছে সাতবর্গ পলাশ বিন আমির হোসেন ফাউন্ডেশন।

এই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সমাজের দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে (চাল, ডাল, তেল, সেমাই, চিনি, কিচমিচ, দুধ) ইত্যাদির একটি প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। এতে করে এই ঈদে সবাই সমানভাবে আনন্দ উপভোগ করতে পারবে। আর এটাই ছিল এই ফাউন্ডেশনের মূল উদ্দেশ্য।

এই বিষয়ে ‘পলাশ বিন আমির হোসেন ফাউন্ডেশন’ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রাসেল জানান, “পলাশ বিন আমির হোসেন ফাউন্ডেশন এর সব সদস্য এবং প্রবাসী ভাইদের আর্থিক সহায়তায় চলমান করোনা ভাইরাস সংকটে দুঃস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়িয়ে এই কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের সামান্য সাহায্য করার চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং বর্তমান চলমান সংকটে এই ফাউন্ডেশনের এর পক্ষ থেকে সহায়তা অব্যাহত থাকবে।”

সাতবর্গ পলাশ বিন আমির হোসেন ফাউন্ডেশনের মূল প্রতিষ্ঠাতা পলাশ বিন আমির হোসেন জানান, “আমাদের এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাতবর্গ গ্রামের সকল দুঃস্থ, অসহায়, গরিব ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমাদের এই ফাউন্ডেশনের কাজ ধীরে ধীরে বর্ধিত করা হচ্ছে, এই জন্য দেশ ও দেশের বাহিরের অনেক স্বেচ্ছাসেবী আর্থিক ও শারীরিক ভাবে অনেক অবদান রাখছে।”

এছাড়াও এই ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে মরহুম মোঃ আমির হোসেন ও মরহুম মোঃ আব্দুল মন্নাফের স্মরণে সাতবর্গ গ্রামের অসহায় অবহেলিত ২৫০ পরিবারের মাঝে ইফতারের খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। সেই সাথে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী সময়ে সাহায্যের জন্য ২৮ জন স্বেচ্ছাসেবী সদস্য প্রস্তুত রেখেছিলো এই ফাউন্ডেশন।

আমরা পলাশ বিন আমির হোসেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক ও তার স্বেচ্ছাসেবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সেই সাথে এই ফাউন্ডেশনের সফলতা কামনা করি, যাতে ধীরে ধীরে সাতবর্গ তথা বিজয়নগর তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছড়িয়ে যাক মানবতার আহবান।